• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • শনিবার | ১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | রাত ৩:৪৮
  • আর্কাইভ

লক্ষ্মীপুরে পুলিশ-যুবলীগ সংঘর্ষ আহত ৮, আটক ১০

৫:২৯ অপরাহ্ণ, জানু ০২, ২০১৯

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের ভেতরে পুলিশ-যুবলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৫ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সেখান থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। বুধবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে শহরের তমিজ মাকের্টে জেলা যুবলীগের কার্যালয় ঘেরাও করে ৫জনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

আহতরা হলেন সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গিয়াস উদ্দিন, কনস্টেবল নয়ন পাল, মেহেদী হাসান, সাংবাদিক মীর ফরহাদ হোসেন সুমনসহ আটজন। আহত পুলিশ সদস্যদের সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার সকালে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান ফজলু ও একই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এর আগে ফজলুকে হত্যাচেষ্টা মামলায় দেলোয়ার হোসেন কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায়। খবর পেয়ে আহত আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখতে কয়েকজন নেতাকে নিয়ে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু সদর হাসপাতালে যান। এ সময় টিপুর সঙ্গে থাকা লোকজন দেলোয়ারকে মারধর করে। এতে পুলিশ বাধা দিতে গেলে তারা পুলিশের ওপরেও হামলা করে। একপর্যায়ে পুলিশ-যুবলীগ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত আটজন আহত হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযান চালিয়ে যুবলীগের ৫ নেতাকে আটক করে। হাসপাতাল এলাকা থেকে যুবলীগ নেতাকর্মীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল জব্দ করে নিয়ে আসে। পরে পুলিশ জেলা যুবলীগ কার্যালয় ঘেরাও করে আরও ৫জন আটক করে।

আটকরা হলেন যুবলীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য মাহাবুবুর রহমান,রুপম হাওলাদার ও ইকবাল হোসেন হিমেল ক্বারী,আলী আজগর, আপলুসহ  ১০ যুবলীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান, হাসপাতালে রোগী দেখতে এসে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের মারামারি হয়। আহত ফজলুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। দেলোয়ার পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা যুবলীগের সভাপতি এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমানের মোবাইল ফোনে কল করেও সাড়া মেলেনি।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বলেন, মারামারির ঘটনায় আহতদের দেখতে গেলে যুবলীগ নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। অভিযান চালিয়ে ১০জনকে আটক করা হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com