• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার | ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল | সকাল ৭:৪২
  • আর্কাইভ

লক্ষ্মীপুরের দত্তপাড়া গরুবাজার : দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতারা, ছিলোনা স্বাস্থ্যবিধি

১০:৩০ অপরাহ্ণ, জুলা ১৭, ২০২১

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া গরুর বাজারে বিপুল পরিমাণ গরু থাকলেও বেচা-বিক্রি তেমন একটা দেখা যায়নি। গরুর অধিক মূল্যের কারণে দাম জিজ্ঞেস করে ক্রেতারা ফিরে যাচ্ছেন। আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ায় হতাশ বিক্রেতারা।

শনিবার সকাল থেকে রাত প্রায় ৯ টা পর্যন্ত এ হাটে গরু বেচা-বিক্রির কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

এদিকে বাজারে গরুর ক্রেতা এবং বিক্রেতাসহ উৎসুখ জনতার ভিড় থাকায় বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। জেলাতে করোনার উচ্চ ঝুঁকি থাকলেও বাজারে আসা জনসাধারণের মধ্যে তেমন একটা সচেতনতা দেখা যায়নি। ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে ছিলোনা কোন শারিরীক দূরত্ব। গরু এবং ক্রেতা-বিক্রতার তুলনায় হাটের পরিধি ছোট হওয়ায় জনসমাগম ছিলো লক্ষণীয়। যদিও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রতি বার বার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটের মধ্যে এমন দৃশ্য লক্ষ করা গেছে।

শফিক নামে এক গরু ব্যাপারী জানান, তিনি ১০ টি গরু নিয়ে এ বাজারে এসেছেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাত্র দুটি গরু বিক্রি হয়েছে। তাই হতাশা প্রকাশ করছেন তিনি।

গরু ব্যাপারী সোলেমান জানান, ৯ টি গরুর মধ্যে মাত্র একটি গরু বিক্রি করেছি। ক্রেতারা এসে শুধু দাম শুনে চলে যায়।

গরুর বাজার মূল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গেল বছরের ছেয়ে এবার দাম কিছুটা বেশি। তাই ক্রেতাদের কাছেও দাম বেশি চাইতে হচ্ছে।

বাজারে বিদেশী জাতের বড় আকারের একটি গরু এনেছেন একজন ব্যবসায়ী। গরুর সাথে তিনি একটি ছাগল (খাসি) ফ্রি হিসেবে রেখেছেন। গরুটির দাম হাঁকছেন তিন লাখ টাকা। কিন্তু বিক্রির জন্য ক্রেতা পাচ্ছেন না তিনি।

সোহেল নামের একজন ক্রেতা বলেন, বাজারে বেশির ভাগ বড় আকারের গরু। তবে অন্য বছরের ছেয়ে দামও বেশি। তাই এ বাজার থেকে গরু ক্রয় করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।

শাহীন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, হাটে অনেক গরু উঠেছে, কিন্তু দাম বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে বলছেন, যা বাজেটের থেকে অনেক বেশি।

জানা গেছে, দত্তপাড়া গরু বাজারটি নিয়ন্ত্রণিত হয় স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে। ইউপি কার্যালয়ের সমানে বাসানো সাপ্তাহিক এ বাজারটির ইউনিয়ন ভূমি সরকারী কর্মকর্তার দায়িত্বে পরিচালিত হয়। গরু ক্রয়-বিক্রয় বাবদ খাজনা আদায় করেছেন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

গরু বাজারের স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে দায়িত্বরত একজন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বলেন, সারাদিনে গরু তেমন একটা বিক্রি হয়নি।

স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে তিনি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাকে মাস্ক ব্যবহারের জন্য সার্বক্ষণিক মাইকিং করা হচ্ছে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com