• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • বুধবার | ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল | সন্ধ্যা ৬:৫৫
  • আর্কাইভ

রামগতিতে লাইসেন্স জালিয়াতি, কালো তালিকাভূক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

৩:১৩ অপরাহ্ণ, ডিসে ০৯, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেসার্স বাপ্পী ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী আবদুল ওয়ারেছের বিরুদ্ধে ট্রেড লাইসেন্স ও ঠিকাদারী লাইসেন্স জালিয়াতি করে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করার অভিযোগ উঠেছে। জালিয়াতি করে একাধিকবার টেন্ডারে অংশ নেওয়ায় তার লাইসেন্স কালো তালিকাভূক্ত করা হয়।

দুই বছরের জন্য ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে সকল কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। রোববার সকালে রামগতি পৌরসভা পরিষদের মাসিক সভার কার্য বিবরণীর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পৌর কর্তৃপক্ষ ও মাসিক সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, মেসার্স বাপ্পী ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী আবদুল ওয়ারেছ রামগতি পৌরসভার তালিকাভূক্ত ঠিকাদার নয়। তিনি ২০১৬-১৭ (ক্রমিক নং-০৮১, তারিখ ২৮.০৯.২০১৬) অর্থ বছরের ট্রেড লাইসেন্স করেন। এরপর নবায়ন না করে পূর্বের ওই ট্রেড লাইসেন্স ঘষামাজা করে (২০১৮-১৯) অর্থ বছর, ক্রমিক নং-০৮১, তারিখ- ১৫.০৭.২০১৯) টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেন।

কাগজপত্রে এমন জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় টেন্ডার ইভোল্যুশান কমিটি ই-টেন্ডার নোটিশ নং-০১/২০১৮-১৯ বাতিল করে পুনরায় আহবান করা হয়। এ জালিয়াতি ধরা পড়ায় পৌরসভার সাধারণ সভায় কাউন্সিলরদের সম্মতিতে মেসার্স বাপ্পী ট্রেডার্সের ট্রেড লাইসেন্স ও ঠিকাদারী লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে লাইসেন্সের অনুকূলে সবধরণের কার্যক্রম দুই বছরের জন্য বাতিল করা হয়েছে। লাইসেন্সটি বাতিল করার বিষয়টি চিঠির মাধ্যমে আবদুল ওয়ারেছকে জানানো হয়। কিন্তু আবারো একই ক্রমিক নম্বরের প্যাডে লাইসেন্স জালিয়াতি করে তিনি পরবর্তী টেন্ডারে অংশ নিয়ে পৌরসভার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত করে আসছে।

ঠিকাদার আবদুল ওয়ারেছ বলেন, আমি লাইসেন্স নবায়নের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি টাকা জমা দিয়েছি। কিন্তু তারা অস্বীকার করছে। পরবর্তীতে পে-অর্ডার করে নবায়নের টাকা ডাকযোগে প্রেরণ করি। কিন্তু সেটিও গ্রহণ করেনি। নবায়ন ছাড়া টেন্ডারে অংশগ্রহণের বিষয়ে সদুত্তোর দিতে পারেননি তিনি ।

রামগতি পৌরসভার মেয়র এম মেজবাহ উদ্দিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বাপ্পী ট্রেডার্সের লাইসেন্স নবায়নের জন্য পৌরসভা কার্যালয়ে কোন পত্র দাখিল করেননি। তবে সতর্ক করা হলেও একাধিকবার জালিয়াতি করে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করায় প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স কালো তালিকাভূক্ত করা হয়। ওই লাইসেন্সের অধীনের সকল কার্যক্রম দুই বছরের জন্য বাতিল করা হয়েছে। এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে পৌরসভার বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে আবদুল ওয়ারেছ অপ-প্রচার চালিয়ে আসছেন।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com