• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার | ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শীতকাল | দুপুর ২:৫৬
  • আর্কাইভ

দত্তপাড়ার আনোয়ার হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৬ জনসহ ৭ জনের যাবজ্জীবন

৩:৪৮ অপরাহ্ণ, জানু ০৩, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের দত্তপাড়ায় আলোচিত যুবদলনেতা আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ৭ আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় আরও ১১ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১২ টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জনের মধ্যে ৬ জন একই পরিবারের।তারা হলেন, দত্তপাড়া ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আবদুল আজিজ মেম্বার ও তার ৫ পুত্র সবুজ, বিল্লাল হোসেন বিপ্লব, ইব্রাহিম, মানিক, ইসমাইল হোসেন এবং সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম মেম্বার।
এদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন ওই ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য। আজিজ মেম্বার এ হত্যা মামলার প্রধান আসামী। তার ছেলে বিপ্লব সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা। বিগত দিনে তাদের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ছিলো।
রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল হোসেন ও আবুল কাশেম মেম্বার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকীরা পলাতক রয়েছেন।
জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৩০২/১০৯ ধারায় অপরাধী সাবস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
আনোয়ার হোসেন দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত আবদুল বাতেনের পুত্র এবং প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন শামীমের ছোট ভাই।তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তার ভাই ইউপি চেয়ারম্যান শামীমও সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন। নিহত আনোয়ার একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ৪ জুন বিকেলে আনোয়ার হোসেন দত্তপাড়ার প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন শামীমের নির্বাচনী অফিসে বসে ছিলেন। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িতরা নির্বাচনী অফিসে হামলা করে আনোয়ারের বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরদিন তার বড়ভাই মো. আশেক ই এলাহী ওরফে বাবুল বাদি হয়ে দত্তপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুল আজিজ মেম্বারকে প্রধান আসামী করে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনের নামে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি নোয়াখালীর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সুভাষ চন্দ্র দাস তদন্ত করে অভিযুক্ত ১৮ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে হত্যা মামলাটি সদর থানা পুলিশ তদন্ত করে। চার দফা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়। সর্বশেষ নোয়াখালীর সিআইডিকে মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৪ জনের স্বাক্ষী গ্রহণের পর (৩ জানুয়ারি) আদালত সাত জনের যাবজ্জীবন রায় ও ১১ জন আসামীকে খালাস দেন।
Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com