• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • রবিবার | ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল | সকাল ৯:০০
  • আর্কাইভ

লক্ষ্মীপুর বাজার সড়ক সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ব্যবসfয়ীদের

৭:০৪ অপরাহ্ণ, নভে ১৫, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুর বাজার সড়ক চার লেনে সম্প্রসারণে জন্য জমি অধিগ্রহণের নকশা বাতিলের দাবি জানিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় জমি অধিগ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাজারের ব্যবসায়ীরা। প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সোমবার (১৫ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেছে লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতি।

তাদের দাবি- নকশা বহির্ভূতভাবে জমি অধিগ্রহণ করে প্রশস্তকরণ প্রকল্পের নামে ব্যক্তি ও গোষ্ঠির স্বার্থে ২০০ বছরের প্রাচীন বাজার ধ্বংসের চক্রান্ত করা হচ্ছে। তবে ওই গোষ্ঠীর নাম প্রকাশ করেনি ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বণিক সমিতি সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল আজিজ।

এতে উপস্থিত ছিলেন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বণিক সমিতির নেতা হাফিজ উল্যা, প্রচার সম্পাদক লোকমান ক্বারী, ফারুক হোসেন, এহতেশাম হায়দার বাপ্পী ও দোকান মালিক খসরু নোমান রতন, মো. দুলাল ভূঁইয়া প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, লক্ষ্মীপুরের উত্তর তেমুহনী থেকে দক্ষিণ তেমুহনী পর্যন্ত বাজার সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে একটি গোষ্ঠী নিজেদের সম্পদ বাঁচানোর জন্য চক্রান্ত করছে। এ চক্রান্তের শিকার হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ব্যক্তি মালিকানাধীন মার্কেট ও দোকান মালিকগণ। সরকারি জমির পরিবর্তে ওই চক্র ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণের নিতে কাজ করছে। এতে ওই চক্রের বৃহৎ স্বার্থ রয়েছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন মার্কেট ও দোকান ঘরগুলো অধিগ্রহণ করলে ৭টি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকও (ভাড়া ভবন) উচ্ছেদ হবে। এতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন তিনি।

ভবন মালিকরা জানান, ঋণ নিয়ে মার্কেট ও দোকানঘর নির্মান করেছেন তারা। এখনো ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতেও পারেননি। জমি অধিগ্রহণের ফলে তাদের জমি এবং ভবন ভাঙা পড়বে। এতে প্রায় ২ হাজার দোকানমালিক ও ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে পড়বে। ভিক্ষা ছাড়া তাদের কোন পথ থাকবে না। শত শত দোকান কর্মচারী বেকার হয়ে পড়বে।
তারা অভিযোগ করে বলেন, বাজারের সড়কের পশ্চিম পাশের স্বার্থন্বেসী মহলের জমি পুরোপুরি রক্ষার স্বার্থে পূর্ব পাশের জমি পুরোপুরি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে পূর্ব পাশের কোন দোকান বা ভবনের অস্তিত্ব থাকবে না। এতে ওই সকল ভবন মালিক এবং ব্যবসায়ীদের পথে বসতে হবে। প্রশ^স্তকরণের জন্য সড়কের দু’পাশ থেকে সমানভাবে জমি অধিগ্রহণ করার দাবি জানান তারা।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত কালের প্রবাহকে বলেন, সড়ক প্রশস্তকরণের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আমাদেরকে জমি বুঝিয়ে দিলে আমরা কাজ করতে পারবো। আমাদেরকে যেভাবে বা যেদিক থেকে জমি দিবে আমরা সেদিকে কাজ শুরু করবো।

তিনি বলেন, বাজার সড়কটি বর্তমানে ১৮ ফিট প্রশ্বস্ত আছে। সড়কটি সম্প্রসারণ করে ৩৬ ফিট করা হবে। ফুটপাতসহ সড়কের প্রস্থ হবে ৪৮ ফিট।
Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com