• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার | ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | রাত ৪:২০
  • আর্কাইভ

লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মিরন হত্যার রহস্য উন্মোচন

৩:৫২ অপরাহ্ণ, অক্টো ২২, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মিরন মেম্বার হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। ইতোমধ্যে দু’জন আসামিকেও  গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি বন্দুক, দুটি এলজি, ২৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত সিএনজিসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর ) বেলা ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে মিট দ্য প্রেসের আয়োজন করে লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে চন্দ্রগঞ্জ থানার একটি চৌকস টিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মিরন মেম্বার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি জসিমকে স্থানীয় বটতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে জসিমকে ওই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলির গোপন হেফাজতের তথ্য দেন।

তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে নিয়ে সোমবার বিকালে চন্দ্রগঞ্জ থানার চরচামিতা মিজি বাড়ির কাচারি ঘরের ভিটির নিচ থেকে বস্তা ভর্তি অবস্থায় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অস্ত্রগুলো মিরন মেম্বার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহারের কথা স্বীকার করেন। হত্যাকাণ্ডে জসিম নিজে ও জনৈক লোকমান এবং সিএনজি চালক জামালসহ আরও ১ জন জড়িত ছিলেন বলে জানায়। তারা অপর ৫ জনের কাছ থেকে লোকমানের বাড়ির সামনে ওই অস্ত্রগুলো বুঝে নেন।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বরবিহীন সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও চালককে আটক করে পুলিশ।

জামাল তার নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এছাড়াও, এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ইলিয়াছ কোবরা গত ১৪ অক্টোবর দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত হন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার এ হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে পূর্ব শত্রুতা ও স্থানীয় বিরোধের ফলশ্রুতিতে মিরনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান।

এ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনাসহ যে কোনও অপরাধ দমনে পুলিশ জিরো টলারেন্সে রয়েছে বলে জানান জেলার এ পুলিশ প্রধান।

প্রসঙ্গত, সদর উপজেলার দত্তপাড়ার আলাদাতপুরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় ৪ জন মুখোশপরা অস্ত্রধারী স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম মিরনকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় অজ্ঞাত নামাদের আসামি করে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com