• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • সোমবার | ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল | রাত ১০:৩৫
  • আর্কাইভ

লক্ষ্মীপুরের পশ্চিম সৈয়দপুরে প্রয়াত পুলিশ সদস্যের পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

১:১৫ অপরাহ্ণ, জানু ০৬, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের প্রয়াত পুলিশ সদস্য রুহুল আমিনের পরিবারকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। দলিল ও রেকর্ডপত্র অনুযায়ী পরিবারটি একটি জমি যুগ যুগ ধরে ভোগদখল করছে। হঠাৎ করে জমিটি দখলে নিতে প্রয়াত পুলিশ পরিবারের লোকজনকে হুমকি-ধমকি এবং ভুল তথ্য দিয়ে থানা পুলিশের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।

এ নিয়ে রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন প্রয়াত পুলিশ সদস্যের ছেলে ও ভুক্তভোগী মো. মোশাররফ হোসেন বাবলু। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রিয়াজুল কবির অভিযোগটি গ্রহণ করেন। এতে একই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন হাওলাদার (৩৫), মনোয়ার হোসেন শাহীন (২৩) ও মো. সুজন (২০)-কে অভিযুক্ত করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি তারিখে নিজস্ব মালিকানাধীন ২৫ শতাংশ জমিতে বসতঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন প্রয়াত পুলিশ সদস্যের ছেলে ও ভুক্তভোগী মোশাররফ হোসেন বাবলু। কিন্তু তিনি হয়রানির শিকার হয়ে গত এক বছরেও বসতঘরটি নির্মাণ করতে পারেননি। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও তার ভাই মনোয়ার হোসেন শাহীন ও মো. সুজন অবৈধভাবে কাজটিতে বাধা দিচ্ছে। তারা ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজে নিয়োজিত গাড়ি ভাঙচুর ও অন্যান্য সরঞ্জাম তছনছ করে শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখিয়েছে।

অভিযুক্ত শাহীন জমিটি নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিস মামলা দায়ের করে। পরে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। যার ফলে মোশাররফ হোসেন বাবলু জমিটিতে পুনঃরায় কাজ শুরু করার বৈধতা পান। কিন্তু অভিযুক্তরা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করছে। তারা ভুল তথ্য দিয়ে বারবার থানা পুলিশের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী মোশাররফ হোসেন বাবলু বলেন, ‘আমার জমিতে আমি বৈধ ও শান্তিপূর্ণভাবে বসতঘর নির্মাণ করতে পারছি না। কিন্তু আমি বসতঘর নির্মাণ করে মা, স্ত্রী-সন্তান ও ভাই-বোনদের নিয়ে থাকতে চাই। এজন্য আইনী সহায়তা চেয়ে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

এদিকে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, আমরা কাউকে বসতঘর নির্মাণে বাধা দিচ্ছি না। তবে রামানন্দী মৌজার একাধিক খতিয়ান ও দাগের রেকর্ড সংশোধনের জন্য ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছি। মামলাটি চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, প্রয়াত পুলিশ পরিবারের জমিটিতে বসতঘর নির্মাণে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com