• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার | ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | সকাল ৭:৩৫
  • আর্কাইভ

রামগঞ্জে খাদ্য বান্ধবের চাল কালোবাজারে

৯:০৯ অপরাহ্ণ, এপ্রি ১০, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ১০ টাকা মূল্যের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল কলোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। উপজেলার চন্ডীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের যোগসাজশে ওই এলাকার নিয়োজিত চালের ডিলার দুঃস্থদের মাঝে চাল বিক্রি না করে তা বাজার মূল্যে অনত্র বিক্রি করে দেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭ বস্তা চাল উদ্ধার করে গোয়েন্দা সংস্থ্যা ‘এনএসআই’।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের নাম মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া। আর অভিযুক্ত ডিলার আবুল কাশেম দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রামের মেহের আলী পাটোয়ারী বাড়ির মৃত আব্দুল হক পাটোয়ারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চন্ডিপুর ইউনিয়নের ৭১৫ জন কার্ডধারী হতদরিদ্রের জন্য ডিলারের মাধ্যমে ৩০ কেজি হারে চাল বিক্রির জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়। তবে চাল বিক্রিতে কোন সরকারের নিয়ম মানা হয়নি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানও ডিলার যোগসাজশে ৩০ বস্তা চাল কার্ডধারী হতদরিদ্রদের মাঝে বিক্রি না করে বেশি দামে অন্যত্র বিক্রয় করে দেয়। এতে সরকারের সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয় তারা। তবে এঘটনায় কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭ বস্তা চাল জব্দ করা হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।

এদিকে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ডিলার আবুল কাশেম বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে চালের বস্তাগুলো বিক্রি করা হয়েছে। এতে তার কোন অপরাধ নেই।

তবে চন্ডিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল হোসেন জানান, ১০ টাকায় চাল বিক্রি না করে বেশি দামে বস্তাসহ বিক্রির বিষয়টি জেনেছি।

লক্ষ্মীপুর এনএসআই উপ পরিচালক মানিক চন্দ্র দে জানান, চন্ডিপুরে খাদ্য বান্ধবের ৩০ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযান চালিয়ে কয়েকটি বাড়ি থেকে ৭ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেনকে খবর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করে জব্দকৃত চাল খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় অভিযুক্ত ডিলারও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে উপজেলা খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা (ওসি এলএসডির) ইসমাইল হোসেন জানান, এনএসআই’র কর্তৃক জব্দকৃত চাল পাওয়া গেছে। তবে ডিলার উপস্থিত ছিলেন না। এ বিষয়ে প্রশাসনই ব্যবস্থা নিবেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহান জানান, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেনকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে চাল জব্দ করা হয়েছে। উপরস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com