• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • শুক্রবার | ২৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল | রাত ২:১৪
  • আর্কাইভ

রামগঞ্জে অছাত্র ও বিবাহিতদেরদিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি!

৯:১১ পূর্বাহ্ণ, নভে ১৮, ২০১৭

রামগঞ্জ প্রতিনিধি :

লক্ষীপুরের রামগঞ্জে উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে উপজেলা পূর্নাঙ্গ কমিটি ও ইউনিয়ন কমিটি গঠন, সমন্বয়হীনতা, স্বজনপ্রীতি, প্রবাসী, অছাত্র- বিবাহিতদের দিয়ে কমিটি গঠন করাসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে নেতাকর্মীদেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহ সর্বত্র প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্র ও ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, ১৪ বছর পর ২০১৬ সালে ১৯ মে রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কামরুল হাসান ফয়সাল মাল সভাপতি ও মেহেদী হাসান শুভকে সাধারন সম্পাদক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষনা করেন লক্ষীপুর জেলা ছাত্রলীগ। অভ্যান্তরীন কোন্দলের ফলে ওই কমিটির মেয়াদ প্রায় দেড়বছর হলেও এখন পর্যন্ত পূনাঙ্গ কমিটি হয়নি। বরং সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক গঠনতন্ত্রকে তোয়াক্কা না করে ও সদস্যের সাথে সমন্বয় না করে নিজের ইচ্ছামতে উপজেলা ছাত্রলীগের প্যাডে এমরান হোসেন মানিক, রাশেদ আলম ভূইয়া ও মিলন আঠিয়া, মোজাম্মেল, বেলায়েত হোসেন, স¤্রাট, সজলসহ ৮/১০ জনকে সহ- সভাপতি, ইসমাইল হোসেন জুয়েল,নিজাম ভূইয়াসহ ৫/৬ জনকে যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, রুবেল হোসেন অনন্ত, তানজির সারোয়ার শাওন, জহিরুল ইসলাম তুষার, ফারুক গাজী, সোহেল হোসেন, রবিন মাল, নাঈম দেওয়ান, এম এ জহির রবিসহ ১০/১৫ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন্যান্য পদে অনুমোদন দিয়ে নিজেদের ফেইজবুক আইডিতে প্রচারপ্রচারনা চালায়। এদের মধ্যে প্রবাসী ফারুক গাজী, সাবেক ছাত্রদলের কর্মী রবিন মাল, বিবাহিত রাশেদ আলম ভূইয়াসহ একাধিক অছাত্র,বিবাহিত,ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কর্মী রয়েছে। এ ছাড়াও গত ১৫ নভেম্বর বুধবার ভোলাকোট ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সম্মেলন না করে নিজের ইচ্ছা মতে কমিটি ঘোষনা করে, চন্ডীপুর ইউনিয়নে কর্মী সম্মেলন করে আনেকদিন পর আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করে ওই কমিটিতে একাধিক ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী রয়েছে। সন্বয়হীনতা কারনে করপাড়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে ইউনিয়ন আ’লীগের সাথে গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে ইউনিয়ন আ’লীগ ও উপজেলা ছাত্রলীগের প্যাডে পাল্টাপাল্টি কমিটি ঘোষনা করা হয়।

জেলা ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিন উদ্দিন সুজন জানান, সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী যখন যা ইচ্ছা করে থাকে, অদ্যবধি আমাদের অন্য সদস্যের সাথে কোন প্রকার সমন্বয় করছে না। তাহলে কেন এত পদ-পদবি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ফয়সাল মাল জানান, উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং পদবঞ্চিতরা এ সব অভিযোগ দিচ্ছেন। উপজেলার কমিটির বিভিন্ন পদে  উপজেলা কমিটি সভাপতি ও  সাধারন সম্পাদকরা অনুমোদন দেওয়ার নিয়ম আছে।

জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরুল হাসান তুহিন বিভিন্ন কমিটি গঠনে অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে জানান, চন্ডিপুর,করপাড়া,নোয়াগাঁও,ভোলাকোট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি সম্পূর্ন অনিয়ম ও গঠনতন্ত্র বিরোধীর কারনে তৃনমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com