৮:৩৭ অপরাহ্ণ, ডিসে ১৫, ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও নোয়াখালীর হাতিয়া সীমান্তের বয়ারচরের টাংকির বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে বরযাত্রী বোঝাই ডুবন্ত ট্রলার থেকে নববধু ও শিশুসহ ৭ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এ মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধশত বরযাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতরা হলো- নববধু আসমা বেগম (১৯), তাছলিমা (২১), লিপি আক্তার (৮), আফরিন আক্তার লামিয়া (২) ও হোসনেয়ারা বেগম রুপা (৫)। অন্য দুইজনের নাম জানা যায়নি। তাদের সকলের বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়া বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলের চর এলাকার বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ৬০-৭০ জনের বরযাত্রী বোঝাই একটি ট্রলার ভোলার মনপুরা যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কেরিরচর নামক স্থানে পৌঁছলে আকষ্মিক ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে রামগতি-হাতিয়ার টাংকির বাজার মাছঘাট এলাকায় থেকে পুলিশ ট্রলারটি উদ্ধার করেন। এ সময় ট্রলারের ভেতর মরদেহগুলো পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কিছু বরযাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও প্রায় অর্ধশত লোক নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।
রামগতির বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান জানান, মেঘনা নদীতে বরযাত্রী বোঝাই ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রলারের ভিতরে ৭টি মরদেহ পাওয়া যায়। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
নোয়াখালীর হাতিয়া থানার ওসি মো. আবুল খায়ের মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কালের প্রবাহকে বলেন, এ পর্যন্ত ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কতজন নিখোঁজ সে বিষয়টি সু-নির্দিষ্টভাবে এখনো বলা যাচ্ছে না। যারা নিখোঁজ রয়েছে, তাদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।
১০:৫৬ অপরাহ্ণ, এপ্রি ১৪, ২০২১