• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • বুধবার | ১২ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | সকাল ১১:৫৯
  • আর্কাইভ

বিমান মন্ত্রীর বাড়ির সামনের ৩ দোকান ‘উচ্ছেদ’

৯:৪৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টে ২৩, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী   একে এম শাহজাহান কামালের শহরের বাড়ির সৌন্দর্য রক্ষায় নোটিশ ছাড়াই ৩টি  ব্যবসা   প্রতিষ্ঠান ‘উচ্ছেদ’ করা হয়েছে।

রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে  হঠাৎ করে শহরের   চকবাজার এলাকায় জেলা পরিষদ থেকে বন্দোবস্ত নেওয়া দোকনঘর গুলো ভেঙে দেওয়া হয়।

সদর  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির রহমান সানি, জেলা পরিষদের  লোকজন ও সদর থানা পুলিশ একদল শ্রমিক নিয়ে   এই ‘উচ্ছেদ’ অভিযান চালায়। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, জেলা পরিষদ থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে দীর্ঘ ৪৫ বছরেরও বেশী সময় ধরে শহরের মেইন রোডের পাশে এসব দোকান ভোগ দখল করে আসছেন তারা।

বিকালে প্রশাসনের লোকজন এসে তাদের দুই মিনিটের মধ্যে দোকানগুলো ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এসময় ব্যবসায়ীরা দোকানের মালামাল সরানোর সুযোগও পাননি। তারা মালামাল নিয়ে বিপাকে পড়েন। মুহুর্তেই প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক টিনের চালাখুলে ফেলে সাইটওয়াল গুড়িয়ে দেয়।

ক্ষতিগ্রস্থ দোকানগুলো হলো বায়েজিদ পোশাক বিতান, সজীব স্টোর ও বিন্দু কালেকশন। রাস্তা সম্প্রসারণের অজুহাতে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য তাদের উপর অবিচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

এ ঘটনায় শহরের ব্যবসায়ীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বণিক সমিতির এক নেতা বলেন,   মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য বন্দোবস্তকারীদের উচ্ছেদ করা ঠিক হয়নি।এতে আগামী সংসদ নির্বাচনের ভোটে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ঘটনাস্থলে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ও ভূমি কর্মকর্তা সাংবাদিকদের ক্যামরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি হননি। পরে ভূমি কর্মকর্তা জানান, জেলা   প্রশাসকের নির্দেশনায় দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্রপাল বলেন, জেলা পরিষদ   আমাদের কাছে উচ্ছেদ অভিযানের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে আমরা ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়েছি। নোটিশ দিয়েছে কি দেইনি তা জেলা পরিষদের এখতিয়ার।

এদিকে উচ্ছেদ অভিযান কালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মিজানুর রহমান গণমাধ্যমের সাথে কোন কথা বলতে রাজি হননি।

জেলা পরিষদের  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু দাউদ মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, মন্ত্রীর বাড়ির সৌন্দর্য রক্ষা করতে নয়; রাস্তার সম্প্রসারণের জন্য দোকানগুলো ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। ওই   জায়গাটি একসনা বন্দোবস্ত ছিল। তাদের মৌখিকভাবে বলা হয়েছে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com