• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার | ২৬শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | শীতকাল | রাত ১:৫৫
  • আর্কাইভ

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ : অবশেষে রামগতির রামদয়াল-বিবিরহাট সড়কের পুন:সংষ্কার কাজ শুরু

৯:২০ অপরাহ্ণ, জানু ১১, ২০২১

আমানত উল্যাহ, রামগতি : লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার রামদয়াল-বিবিরহাট সড়কের পুন:সংষ্কারের কাজ শুরু করেছে সেই বিতর্কিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান টেডার্স। সংষ্কারের দুই মাসের মাথায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় দৈনিক কালের প্রবাহসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সড়কটির পুন:সংষ্কারের কাজ শুরু করেছে ঠিকাদার।

সূত্র জানায়, রামদয়াল-বিবিরহাট ৬ কিলোমিটার সড়ক দুই মাস পূর্বে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার করেন মেসার্স হাসান টেডার্স নামে একটি বিতর্কিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্মাণের মাত্র দুই মাসের মাথায় সড়কের পিচ ঢালাই হাতের খোঁচাতেই উঠে যায়। নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে সংস্কারকারী ঠিকাদারী এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বর্তমানে এই অঞ্চলে চলাচলকারী প্রায় ৬০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা সড়কটি। এতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের কাজ হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

এছাড়াও ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের আওতায় রামগতি উপজেলায় সংস্কার ও নির্মাণকৃত বেশিরভাগ সড়কের এমন পরিস্থিতি বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগের আলোকে সরেজমিনে তদন্ত করে গত ১০ জানুয়ারী দৈনিক কালের প্রবাহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যেেম এই নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে রামগতি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটি পূনরায় সংষ্কার করার জন্য টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান টেডার্সের স্বত্বাধিকারী রামগতি পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়ারেছ মোল্লাকে নির্দেশ দেন।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে রামদয়াল-বিবিরহাট সড়কের ৬ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই দরপত্রে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে মেসার্স হাসান টেডার্স কার্যাদেশ পায়। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই সড়কের বিভিন্ন অংশের পিচ ঢালাই উঠে যায় এবং ব্যাপক ফাটল দেখা দেয়।

সংবাদে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আবদুল ওয়ারেছ মোল্লা, উপজেলা এলজিইডি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবদুল মোমিনের বক্তব্য তুলে ধরে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। নতুন সংষ্কারকৃত সড়কটির বেহাল দশা তুলে ধরলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওই সড়কটি পুন:সংষ্কার করার আশ্বাস দেন। যার ফলশ্রুতিতে সড়কটির পুন:সংষ্কার কাজ শুরু করা হয়।

এবিষয়ে রামগতি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন মাসুম বলেন, সড়ক সংস্কারে বেশ কিছু অনিয়ম হওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসলে আমরা ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিল বন্ধ করে পূনরায় সড়কটি সংষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছি। শতভাগ কাজ সমাপ্ত হলে তদন্ত সাপেক্ষ বিল দেওয়া হবে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com