• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার | ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | সকাল ১০:১০
  • আর্কাইভ

জমি নিয়ে বিরোধ : লক্ষ্মীপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার উপর হামলার অভিযোগ

৯:০৫ অপরাহ্ণ, মে ২৯, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে লক্ষ্মীপুরে মাহবুবুর রহমান নামে এক সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে জেলার সদর উপজেলার বাঙ্গাখা ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় অভিযুক্তরা হলেন, একই বাড়ির গাজী নাজমুল করিম ও তার তিন পুত্র মো. আলী করিম (৩৪), মো. রেজাউল করিম (৪০) ও মো. সুমনুল করিম (৪৫)। হামলাকারীরা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানকে প্রায় দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে তিনি সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনি।

এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে হামলার ঘটনাকে সাজানো বলে দাবি করেছেন আলী করিম।

জানা গেছে, গত এক বছর আগে মাহবুবুর রহমান একই বাড়ির শুকরের নেছার কাছ থেকে ১৩ শতাংশ জমি (ভিটি-বাগান) কিনে। বুধবার সকালে তিনি ওই জমিতে থাকা একটি আম গাছ থেকে আম পাড়তে যান। একই বাড়ির নাজমুল করিম ও তার তিনপুত্র ওই জমিতে ঝামেলা থাকার কথা জানিয়ে তাকে আম পাড়া থেকে বিরত থাকতে বলে।

এ সময় তাঁরা মাহবুবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। দুপুরে তাঁরা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান এবং তাঁর দুই ভাগিনা মেহেদী হাসান (১৯) ও রাহাতের (১৩) উপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলে প্রায় দুইঘণ্টা যাবৎ তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং হামলার চেষ্টা চালায়। পরে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, নাজমুল করিম ও তাঁর ছেলেরা বিভিন্ন সময় আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করে আসছিলো। চাঁদপুরে চাকরী করার সুবাধে আমি বড়িতে থাকি না। কিন্তু আমি যখনই বাড়িতে আসি তাঁরা আমার সাথে বিরোধ শুরু করে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় তাঁরা আমাদের উপর হামলা ও হয়রানির বিষয়ে আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করলে আমাদের উপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তাঁরা আমাকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলী করীম উল্টো মাহবুবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, বাড়ির একটি বিতর্কিত জমি থেকে মাহবুবুর রহমান আম পাড়তে গেলে আমরা বাধা দিই। কারণ জমিটির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা (১৪৪ ধারা) রয়েছে।

এটাকে কেন্দ্র করে মাহবুবুর রহমান আমার গলা চেপে ধরে। এতে আমার গলায় মারাত্মক জখম হয়। বাড়ির লোকজন আমাকে উদ্ধার করে। পরে আমি সদর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিই এবং থানায় অভিযোগ করি। তাঁরা (মাহবুব) যা বলতেছে তা সবি তাঁদের সাজানো বলে দাবি করেন তিনি। জমি বিরোধ এবং হামলার ঘটনার সঠিক সমাধানও চান তিনি।

সদর থানার এসআই মো. মহসীন বলেন, আমপাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। দুই পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com