• ঢাকা,বাংলাদেশ
  • বুধবার | ৬ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল | দুপুর ১২:৩৮
  • আর্কাইভ

অনলাইন প্রতারকের প্রলোভনে নির্মাণ শ্রমিক মামুন

৭:২৩ অপরাহ্ণ, এপ্রি ০৬, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ বা গ্রুপের মাধ্যমে কেনাকাটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটাকে পুঁজি করে ফেসবুক পেজ খুলে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে আসছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।

এমনই এক প্রতারণামূলক ফেজবুক পেজ ‘Mobile Bazaar52’। বাজার থেকে কম মূল্যে ব্র্যান্ড নিউ মোবাইল ফোন বিক্রির প্রলোভনমূলক বিজ্ঞাপন ছাড়া হচ্ছে এ পেজে। এতে ফাঁদে পা দিচ্ছেন অনেকেই। আর নগদ টাকা খুঁড়িয়ে প্রতারিত হচ্ছেন।

মামুন নামের লক্ষ্মীপুরের এক নির্মাণ শ্রমিককে তাদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ৫ হাজার ৮শ’ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।

মো. মামুন নামের ওই ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়েছেন ‘Mobile Bazaar52’ নামক পেজে থাকা মোবাইল বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখে। সোমবার (৪ এপ্রিল) সকালে তিনি এ প্রতারণার শিকার হন। মামুন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার রেহান‌ উদ্দিন ভূঁইয়া রোডে একটি নির্মাণাধীন ভবনের শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। সে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ছোট আলগী গ্রামের শাহজাহান ড্রাইভারের বাড়ির মো. শেখ ফরিদের ছেলে।

প্রতারণার শিকার মামুন বলেন, শনিবার (২ এপ্রিল) রাতে ফেসবুকে Mobile Bazaar52 নামের একটি পেজে মোবাইল বিক্রি একটা বিজ্ঞাপন দেখি। তাতে উল্লেখ ছিলো- “( 🔥  /// ষ্টক 140 পিস ডিস্কাউন্ট অফার – চলবে 7 দিনস অর্ডার_ করতে_ ও_বিস্তারিত জানতে_ কল_ করুন ☎️ 01979287348 )”। আমি তাদের দেয়া মোবাইল নাম্বারে ফোন করি। তখন আমাকে পছন্দের স্মার্টফোনের মডেলের স্ক্রিনশট পাঠাতে বলে এবং আমাকে শর্তানুযায়ী ৫শ’ টাকা বিকাশ করতে বলে। পরের দিন রবিবার সকালে দোকান থেকে ৫শ’ টাকা বিকাশ করি।

সে জানায়, সোমবার সকালে একটা নাম্বার থেকে ফোন আসে তার নাম্বারে। নিজেকে মোবাইল ডেলিভারির লোক পরিচয় দিয়ে তখন তাকে বলে ‘আপনার অর্ডার দেওয়া মোবাইলটি লক্ষ্মীপুরে এসে পৌঁছেছে। আপনি যাদের কাছ থেকে মোবাইলের জন্য অর্ডার দিয়েছেন তাদের নাম্বারে ৩ হাজার ৩ শত টাকা বিকাশে পেমেন্ট করুন। তখন তারা আপনাকে একটা কোড নাম্বার দেবে। ওই নাম্বারটা আপনি আমাকে দেবেন, পরে আমি পরিবহন থেকে মোবাইলটি সংগ্রহ করে আপনার কাছে নিয়ে আসব।’ তার কথা অনুযায়ী মামুন তাকে ৩ হাজার ৩শ’ টাকা বিকাশে পরিশোধ করেন।

কোড না আসায় কিছুক্ষণ পর মামুন ফোন করে কোডের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে ‘কোড লক হয়ে গেছে’। এ সময় তাকে আরও ২ হাজার টাকা দেয়ার জন্য বলে। পরে আরও ২ হাজার টাকা পাঠায় মামুন। এর পর থেকে মামুনের নাম্বার থেকে ফোন দেওয়া হলে তা রিসিভ করা হচ্ছে না।

মামুন বলেন, তিন দফায় আমি তাদেরকে ৫ হাজার ৮শ’ টাকা পাঠিয়েছি। এখন বুঝতেছি তারা আমাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকাগুলো হাতিয়ে নিয়েছে। আমার মতো হয়তো অনেকেই চক্রটির প্রতারণার শিকার। কেউ যাতে ফেজবুকে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেখে যাচাই না করে পণ্য না কিনে বা অগ্রিম টাকা পরিশোধ না করে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ



Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com